প্রতি মঙ্গলবার, শুক্রবার ও প্রায়শ্চিত্তকালের সব রবিবারে বলা হয়।
সূচি ১। গেৎসিমানী বাগানে যীশুর মর্মবেদনা ২। যীশুর গায়ে কশাঘাত ৩। যীশুর কাঁটার মুকুট ধারণ ৪। যীশুর ক্রুশ বহন ৫। কুমারী মারীয়ার গৌরবময় মুকুট ধারণ প্রণাম রানী |
পবিত্র জপমালা প্রার্থনা- শোকময় পঞ্চনিগুঢ়তত্ত্ব
প্রেরিতদের শ্রদ্ধামন্ত্র, ১ প্রভুর প্রার্থনা, ৩ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয় প্রথমে বলে নির্দিষ্ট দিনের পঞ্চ নিগুঢ়তত্ত্ব বলতে হবে।
১। গেৎসিমানী বাগানে যীশুর মর্মবেদনা
গেৎসিমানী বাগানে প্রভু যীশু খ্রিষ্ট আমাদের পাপ স্মরণ করে গভীর দুঃখমগ্ন হলে তাঁর শরীর থেকে রক্তময় ঘাম ঝরল। এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।
১ প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়
হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।
২। যীশুর গায়ে কশাঘাত
প্রভু যীশুকে পিলাতের বাড়িতে থামে বেঁধে খুব নিষ্ঠুরভাবে কশাঘাত করা হল। এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।
১ প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়
হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।
৩। যীশুর কাঁটার মুকুট ধারণ
নিষ্ঠুর সৈন্যরা ধারালো কাঁটার মুকুট বানিয়ে যীশু খ্রিষ্টের মাথায় জোর করে পড়িয়ে দিল।এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।
১ প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়
হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।
৪। যীশুর ক্রুশ বহন
মৃত্যুদণ্ডের আদেশ হওয়ার পর, প্রভু যীশু খ্রিষ্ট এক বিশাল ভারী ক্রুশ বহন করে কালভারী পর্বতে নিয়ে গেলেন। এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।
১ প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়
হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।
৫। যীশুর ক্রুশরোপণ
প্রভু যীশু খ্রিষ্ট তাঁর শোকার্ত মায়ের সামনে অসহনীয় কষ্টভোগ করে আমাদের পরিত্রাণের জন্য ক্রুশের উপর প্রাণত্যাগ করলেন। এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।
১ প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়
হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।
প্রণাম রানী
প্রণাম রানী, দয়াময়ী মা, আমাদের জীবন-মাধুর্য ও ভরসা, প্রণাম। হবার নির্বাসিত সন্তান আমরা, তোমার কাছে আর্তনাদ করছি। এই অশ্রুময় সংসারে আমরা তোমার উদ্দেশ্যে কেঁদে পরিতাপ করছি। হে নিত্য সাহায্যকারিণী, তোমার সদয় চোখে আমাদের দিকে তাকাও। এই নির্বাসনের পর তোমার পুত্র ধন্য যিশুকে আমাদের প্রদর্শন কর। হে দয়াময়ী, হে স্নেহময়ী, হে মাধুর্যময়ী, মারীয়া-কুমারী।
চালকঃ হে পুণ্যময়ী ঈশ্বর জননী, আমাদের মঙ্গল প্রার্থনা কর।
সবাইঃ আমরা যেন খ্রিষ্টের অঙ্গীকারের যোগ্য হয়ে উঠি।
চালকঃ এস, আমরা প্রার্থনা করি…
হে ঈশ্বর, তোমার একমাত্র পুত্র নিজের জীবন, মৃত্যু ও পুনুরুত্থান এর মাধ্যমে আমাদের জন্য অনন্ত পরিত্রাণের পুরষ্কার অর্জন করেছেন । মিনতি করি, আমরা যেন কুমারী মারীয়ার পবিত্র জপমালার নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করে এর অন্তর্গত ভাব অনুকরণ করতে এবং তাঁর প্রতিশ্রুত ফল লাভ করতে পারি। আমাদের প্রভু যীশু খ্রিষ্টের নামে। – আমেন।