গৌরবময় পঞ্চ-নিগুঢ়তত্ত্ব

প্রতি বুধবার এবং প্রায়শ্চিত্তকালের পর থেকে আগমনের আগে সব রবিবারে বলা হয়।

সূচি
১। যীশুর গৌরবময় পুনুরুত্থান
২। যীশুর স্বর্গারোহণ
৩। প্রেরিতশিষ্যদের উপর পবিত্র আত্মার অবরোহণ
৪। কুমারী মারীয়ার স্বর্গোন্নয়ন
৫। কুমারী মারীয়ার গৌরবময় মুকুট ধারণ
প্রণাম রানী

পবিত্র জপমালা প্রার্থনা- গৌরবময় পঞ্চ নিগুঢ়তত্ত্ব

প্রেরিতদের শ্রদ্ধামন্ত্র, ১ প্রভুর প্রার্থনা, ৩ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয় প্রথমে বলে নির্দিষ্ট দিনের পঞ্চ নিগুঢ়তত্ত্ব বলতে হবে।

১। যীশুর গৌরবময় পুনুরুত্থান

প্রভু যীশু খ্রিষ্ট মৃত্যুকে জয় করে তৃতীয় দিনে পুনুরুত্থান করলেন। এস আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।

প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়

হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।

২। যীশুর স্বর্গারোহণ

পুনুরুত্থানের চল্লিশ দিন পর প্রভু যীশু খ্রিষ্ট শিষ্যদের সামনে আশ্চর্যভাবে স্বর্গারোহণ করলেন। এস আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।

প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়

হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।

৩। প্রেরিতশিষ্যদের উপর পবিত্র আত্মার অবরোহণ

স্বর্গারোহণের পর প্রভু যীশু খ্রিষ্ট নিজের প্রতিশ্রুতি অনুসারে কুমারী মারীয়া ও প্রেরিতশিষ্যদের উপর পবিত্র আত্মাকে পাঠালেন। এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।

প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়

হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।

৪। কুমারী মারীয়ার স্বর্গোন্নয়ন

প্রভু যীশু খ্রিষ্টের পুনুরুত্থানের কয়েক বছর পর, গৌরবান্বিতা কুমারী মারীয়া দেবদূতদের দ্বারা স্বর্গে উন্নীতা হলেন । এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।

প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়

হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।

৫। কুমারী মারীয়ার গৌরবময় মুকুট ধারণ

স্বর্গোন্নয়নের পর গৌরবান্বিতা ধন্যা কুমারী নিজ পুত্রের হাতে উজ্জ্বল মুকুটে শোভিতা হলেন । এস, আমরা এই নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি ।

প্রভুর প্রার্থনা, ১০ প্রণাম মারীয়া এবং ১ ত্রিত্বের জয়

হে প্রিয় যীশু, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, নরকের আগুন হতে আমাদের রক্ষা কর, সকল আত্মাকে স্বর্গের পথে চালাও, বিশেষতঃ যাদের জন্য তোমার দয়া একান্তই আবশ্যক।

প্রণাম রানী

প্রণাম রানী, দয়াময়ী মা, আমাদের জীবন-মাধুর্য ও ভরসা, প্রণাম। হবার নির্বাসিত সন্তান আমরা, তোমার কাছে আর্তনাদ করছি। এই অশ্রুময় সংসারে আমরা তোমার উদ্দেশ্যে কেঁদে পরিতাপ করছি। হে নিত্য সাহায্যকারিণী, তোমার সদয় চোখে আমাদের দিকে তাকাও। এই নির্বাসনের পর তোমার পুত্র ধন্য যিশুকে আমাদের প্রদর্শন কর। হে দয়াময়ী, হে স্নেহময়ী, হে মাধুর্যময়ী, মারীয়া-কুমারী।

চালকঃ হে পুণ্যময়ী ঈশ্বর জননী, আমাদের মঙ্গল প্রার্থনা কর।
সবাইঃ আমরা যেন খ্রিষ্টের অঙ্গীকারের যোগ্য হয়ে উঠি।

চালকঃ এস, আমরা প্রার্থনা করি…

হে ঈশ্বর, তোমার একমাত্র পুত্র নিজের জীবন, মৃত্যু ও পুনুরুত্থান এর মাধ্যমে আমাদের জন্য অনন্ত পরিত্রাণের পুরষ্কার অর্জন করেছেন । মিনতি করি, আমরা যেন কুমারী মারীয়ার পবিত্র জপমালার নিগুঢ়তত্ত্ব ধ্যান করে এর অন্তর্গত ভাব অনুকরণ করতে এবং তাঁর প্রতিশ্রুত ফল লাভ করতে পারি। আমাদের প্রভু যীশু খ্রিষ্টের নামে। – আমেন।

Scroll to Top